Friday, June 3, 2022

পার্সোনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট টেকনিক.!

পার্সোনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট টেকনিক.! 

১/কথা হজম করতে শিখুন.! এইটা অনেক বড় গুণ.!
  আপনাকে জীবনে জিততে সহায়তা করবে।

২/ কখনও তর্কে জিততে যাবেন না.! এটা সময়ের অপচয়।

৩/আপনার প্রতিপক্ষকে জিতিয়ে দিন.! আপনার প্রতিপক্ষ যদি
  খুশী হয় সে জিতে গেছে ভেবে! আপনি একটু হাসুন।

৪/মনে রাখবেন, কখনও কখনও জিততে হলে হারতে হবে.!
 আর আপনার আজকের এই হারই আপনাকে বড় জয় এনে
 দিবে।

৫/হারতে শিখুন! সব জায়গায় জিততে নেই.! এটা বোকামি।

৬/মনে রাখবেন, কথায় কাজ হবে না.! তাই কাজ শুরু করুন
 নিরবে! আপনার কাজই কথা বলবে।

৭/আপনাকে যারা বিশ্বাস করে না, তাদের চিন্তা বাদ দিন.!
 নিজেকে বিশ্বাস করুন.! নিজের প্রতি বিশ্বাস আপনাকে সবার
 মাঝে বিশ্বাসী করে তুলবে।

৮/আপনি অনেক কিছু পারেন.! কি দরকার বলে বেড়ানোর.!
 কাজ করুন! যার প্রয়োজন সে আপনাকে এমনেতেই খুঁজে বের
 করবে।
৯/মনে রাখবেন, চিতা বাঘ কখনও কুকুরের সাথে দৌড়
 প্রতিযোগিতা করে না.! কুকুরদের জিততে দিন.! আপনি যে 
 চিতা বাঘ তা বোঝানোর জন্য সঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকুন।

১০/নিজের প্রয়োজনেই তর্ক এড়িয়ে চলুন.! আর নিরবে কাজ
 করুন! আপনার কাজই আপনার কথা বলবে।

১১/বিনয়ী হতে শিখুন, বিনয়ী হতে পারলে আপনি বিশ্ব জয়
 করতে পারবেন। 🥺

কথাগুলো ভালো লাগলো তাই শেয়ার করলাম🥰

Collected

Thursday, June 2, 2022

একটি সুন্দর কবিতা

অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস, অতি ধন-জ্ঞান,
প্রকাশিতে গেলে কমে মানুষের মান।
অতিকথনের ফলে বাড়ে বিড়ম্বনা, 
অতি ভাল এ জগতে মূল্যহীন জনা।

অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে যেই জন,
পতন হইতে তার লাগে কতক্ষণ? 
অতি ধূর্ত মানুষের বন্ধু বড় কম,
অতি সন্দেহ হলো সম্পর্কের যম।

অতি খুঁতখুঁতে, যার শুচিবায়ু রোগ,
তাকে পোহাতেই হয় অতি দুর্ভোগ। 
দুঃসাহস বা অতিভয় মোটে ভাল নয়,
অতি ভালোবাসার ফলে কষ্ট পেতে হয়।

(প্রাচীন বাংলা স্টাইলে লেখার চেষ্টা) 

বিধান দত্ত
দিনাজপুর 
১৫/১২/২০২১

ভুল করে কেউ এভারেস্ট জয় করে ফেলে না-ঝংকার মাহবুব

ভুল করে কেউ এভারেস্ট জয় করে ফেলে না। আন্দাজে দাগায় কেউ বিসিএস এ টিকে যায় না। হুট্ করে কেউ হায়ার স্টাডি এর স্কলারশিপ পেয়ে যায় না। দুই-তিন সপ্তাহ পড়ে কেউ ক্লাসে ফার্স্ট হয়ে যাবে না। কারণ প্রেস্টিজিয়াস কোন কিছুই সহজ না। সহজ কোন কিছুই প্রেস্টিজিয়াস না।
 
সেজন্যই লাইফটাকে সিরিয়াসলি চেইঞ্জ করতে চাইলে, লাইফের একটা সময়, প্রেস্টিজিয়াস একটা গোল সেট করে পাগলা কুত্তার মতো খাটতে হবে। সবকিছু থেকে নিজেকে ডিসকানেক্ট করে বন্ধ ঘরে সাধনা চালাতে হবে। হিট মুভি, হট নিউজ, ফাটাফাটি খেলা, কাটাকাটি ভাইরাল, এগুলা এক একটা ডিস্ট্রাকশন। টার্গেট এচিভ না হওয়া পর্যন্ত এগুলাকে কন্ট্রোল করতে হবে, ইগনোর করতে হবে। লক্ষ্যে পৌঁছানোর ব্যাপারে একরোখা হতে হবে। ক্রেজি লেভেলের হার্ডওয়ার্ক করতে হবে। 
যেদিন ফল খাইতে চাইবে, সেইদিন মাটিতে বীজ লাগালে কাজ হবে না। কারণ একরাতে বীজ থেকে গাছ হয়ে ফল দিবে না। একরাতে কেউ বিগিনার লেভেল থেকে এক্সপার্ট হয়ে যাবে না। আধা বেলা গুঁতা মেরে, একটা জিনিসে ভালো হয়ে যেতে পারবে না। কোন কিছুতে ভালো হতে হলে: লেগে থাকতে হবে। সাধনা করতে হবে। এফোর্ট দিতে হবে। লাইফে গ্যাঞ্জাম, ঝামেলা, সমস্যা আসবেই। হুট করে ইস্যু এসে হিসু করে দিবেই। সেগুলাকে ম্যানেজ করে, পাশ কাটিয়ে, সম্ভব হলে ইগনোর করে নিজের টার্গেটে এফোর্ট দিতে পারলেই-- একটা সময় পর: কম হোক, বেশি হোক: কিছু না কিছু একটা হবে।  
.
এইটা সারা জীবন এর ফর্মুলা না। সারাজীবন, ক্রেজি লেভেলের হার্ডওয়ার্ক চালিয়ে যাওয়া পসিবল না। তবে, জাস্ট ছয়টা মাস বা একটা বছর এ নিজের ভার্সন আপগ্রেড করার জন্য, নিজেকে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যাওয়ার জন্য, পরবর্তী মিশন/টার্গেট/ড্রিমটা এচিভ করার জন্য--কিছুদিন ক্রেজি হতেই হবে। কারণ, টপক্লাস এফোর্ট না দিলে, টপক্লাস এচিভমেন্ট আসবে না। সারা জীবন অন্যের গোল দেয়া কিংবা অন্যদের গোল খাওয়া সেলিব্রেট করে নিজের পেট ভরবে না। নিজের এচিভমেন্ট সেলিব্রেট করতে চাইলে: প্রথমে এফোর্ট, তারপর এচিভমেন্ট, এরপর এনজয়। 
.
সেজন্যই লাইফের ছোট একটা সময়- প্রতিটা দিন, প্রতিটা ঘন্টা, প্রতিটা মুহূর্তের জন্য খুঁতখুঁতে হতে হবে। সিলেক্টিভ হতে হবে। লাইফে এন্টারটেইনমেন্ট, ফ্রেন্ডশিপ, আড্ডা, সিনেমা, খেলা দেখার  দরকার আছে। তবে এগুলা কখনোই তোমার লাইফের ৮০% বা ১০০% হতে পারে না। তাহলে লাইফের ৮০% টার্গেটই এচিভ হবে না। কারণ তুমি তোমার ফিউচারকে যেভাবে ইগনোর করবে, প্রোকাস্টিনেট করবে, পাশ কাটাবে। তোমার ফিউচারও তোমাকে একজাক্টলি সেভাবে ফাঁকি দিয়ে অন্যের ঘাড়ে ঝুলে পড়বে।  
.
 
If you want to shine like a sun, first burn like a sun.-- A. P. J. Abdul Kalam