Wednesday, December 29, 2021

মাদক থেকে বাঁচার উপায়। পর্ব ০১

ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলা :
এটাই হল এর প্রধান চিকিৎসা। একমাত্র খোদভীতিই মানুষকে এ শয়তানি খপ্পর থেকে মুক্তি দিতে পারে। পরকালে জবাবদিহিতা এবং জাহান্নামের কঠিন শাস্তির ভয় মানুষকে মাদকের কুফল থেকে দূরে রাখতে পারে। 
প্রশাসনিক প্রতিরোধ : নৈতিক উপদেশের পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রতিরোধ অবশ্যই জরুরি। এটিও দুভাবে হতে পারে।

এক : রাষ্ট্রীয়ভাবে- যেমন, ধূমপান মাদক এবং জুয়ায় অভ্যস্থদের সার্ভিস বুকে লাল কালি মেরে রাখা। যাতে তাদের প্রমোশন আটকে থাকে। এ জন্য নবীজি (সা.)-এর আমলের প্রথমদিকে মদ্যপায়ীকে সর্বসমক্ষে হাত দিয়ে, খেজুরের ডাল দিয়ে বা জুতা দিয়ে মারতে বলতেন। তিরস্কার ও নিন্দা করতে বলতেন, যাতে সে লজ্জিত হয় এবং ভীত হয়। মদের পাত্রগুলো ভেঙে ফেলা হতো। মদ তৈরি করা ও আমদানি করা সব বন্ধ করে দেয়া হতো। মদ তৈরির সব সরঞ্জাম ধ্বংস করে জ্বালিয়ে দেয়া হতো।

পরে আবুবকর (রা.)-এর আমলে ৪০টি বেত বা দোররা এবং উমর ফারুকের (রা.) খিলাফতকালে ৮০টি বেত বা দোররা মারার বিধান জারি করা হল। সেই আলোকেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পরপরই মদ জুয়া হাউজি ঘোড়দৌড়ের বিরুদ্ধে উদ্যোগ নিয়ে সংবিধানে তা সন্নিবেশিত করেছিলেন। তার ধারাবাহিকতায় বর্তমানে রাষ্ট্রর নির্বাহী বিভাগ থেকে কঠোর ভূমিকা নেয়া হচ্ছে এখন বিচার বিভাগকেও এর বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা নিতে হবে। প্রশাসনকে নতুন করে মদের লাইসেন্স দেয়া বন্ধ করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে এর উৎপাদন আমদানি বিপণন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।
দুই : সামাজিক প্রতিরোধ- মানুষ সামাজিক জীব। তাকে সমাজে বসবাস করতে হয়। যে সমাজে সে বসবাস করে, সে সমাজের লোকেরা তাকে দরদ দিয়ে এর নেতিবাচক দিক নিয়ে বুঝাবে যদি এরপরও সে মাদকে অভ্যস্থ থাকে তবে সামাজিক বয়কট ও ঘৃণা প্রকাশ করবে, তাহলে সে লোকলজ্জার ভয়ে হলেও এ বদভ্যাস ত্যাগ করবে।
এ কারণেই মদ্যপায়ীর শাস্তি নবীজি (সা.) জনসমক্ষে দিতেন। এটি শুরু করতে হবে পরিবার থেকে যেহেতু পরিবারই সমাজের প্রথম ইউনিট। পরিবার ব্যর্থ হলে সমাজের ওপর তার দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে তাকে চোখে চোখে রাখতে হবে যাতে যে নেশাখোর এবং অসামাজিক লোকদের দলে ভিড়ে না যায়। আমরা যদি দরদের সঙ্গে সবাইকে নিয়ে মাদক এবং জুয়ার বিরুদ্ধে এগোতে পারি তাহলে একটি সুন্দর সমাজ ও দেশ গড়ে উঠবে।
মূল লেখক : মইন চিশতি, প্রাবন্ধিক ও ধর্মচিন্তক

Monday, December 27, 2021

হতাশ হবেন না- আশা রাখুন

শীঘ্রই তোমার রব; তোমাকে এত বেশি দিবেন যে তুমি খুশি হয়ে যাবে! [সূরাঃ আদ্ব-দোহা, ০৫]
"হতাশ হয়ো না। উঠো! সিজদাহ করো এবং কাঁদো!"
--সূরা ইউসুফ : ৮৬
"আল্লাহ কষ্টের পর সুখ দিবেন।"
--সূরা ত্বলাক : ৭
"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে রয়েছে স্বস্তি।"
--সূরা ইনশিরাহ : ৬
"আমি তো আমার দুঃখ ও অস্থিরতাগুলো আল্লাহর সমীপেই নিবেদন করছি।"
--সূরা ইউসুফ : ৮৬
"জেনে রেখো, আল্লাহর সাহায্য নিকটে।"
--সূরা বাক্বারা : ২১৪
"একমাত্র কাফির ছাড়া অন্য কেউ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না।"
--সূরা ইউসুফ : ৮৭
"আল্লাহ কোনো ব্যক্তির উপর তার সাধ্যের চাইতে বেশী, এমন বোঝা চাপিয়ে দেন না।"
--সূরা বাক্বারা : ২৮৬
"এবং অবশ্যই আমি তোমাদের পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের।"
--সূরা বাক্বারা : ১৫৫
"হে ঈমানদারগণ, তোমরা সবর ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে রয়েছেন।"
--সূরা বাক্বারা : ১৫৩
"হে আল্লাহ, আমি তো কখনো আপনাকে ডেকে ব্যর্থ হইনি।"
--সূরা মারইয়াম : ৪
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন--
"মুমিনের ব্যাপারটাই আশ্চর্যজনক! তার প্রতিটা অবস্থাই তার জন্য কল্যাণ বয়ে আনে। আর এটা কেবল মুমিনের জন্যই নির্ধারিত, অন্য কারো জন্য নয়। মুমিনের কাছে সুখের কিছু এলে শুকরিয়া আদায় করে। এটা তার জন্য মঙ্গলময় হয়। অনুরূপভাবে যখন কোনো দুঃখ তাকে স্পর্শ করে, তখন সে ধৈর্যধারন করে। আর এটাও তার জন্য মঙ্গলময় হয়।"
--সহীহ মুসলিম : ২৯৯৯
অতএব, কোনো হতাশা আমার জন্য নয়। 'আলহামদুলিল্লাহি আ'লা কুল্লি হাল।' (আমি সকল অবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা করি।)🌼

Sunday, December 26, 2021

যে ৭টি কথা সন্তানকে প্রতিদিন বলতে হবে।

১. নিজের সন্তানকে প্রতিদিন অন্তত একবার করে বলুন ‘তোমার উপর আমার বিশ্বাস আছে। তাকে বিশ্বাস করে ছোট খাটো কিছু দায়িত্ব পালন করতে দিন। তাহলে তার মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং সে আপনাকে আরো বেশি ভালোবাসবে।

২) সন্তানকে প্রতিদিন একবার করে হলেও বলুন সে যেন হাল ছেড়ে না দেয়। প্রতিটি কাজেই তাকে উৎসাহ দিন এবং হতাশ হয়ে হাল ছেড়ে দিতে মানা করুন। তাকে বলুন ধৈর্য ধরে এগিয়ে গেলেই সাফল্যের দেখা পাবে সে।

৩) কোনো কিছু না পারলে তাকে বকাঝকা না করে আরো বেশি অনুশীলন করতে বলুন। তাকে সবসময়েই এটা বলুন যে বার বার অনুশীলন করলেই সে ‘পারফেক্ট’ হতে পারবে।

৪) প্রতিটি ‘এক্সপার্ট’ মানুষই একসময়ে আনাড়ি ছিলো। এই কথাটি আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই বুঝিয়ে বলুন। এতে সে যে কোনো কাজে সাহস পাবে।

৫) ব্যর্থতা কোনো অপরাধ নয় এটা আপনার সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন। আপনার সন্তান কখনো ব্যর্থ হলে তাকে বকাঝকা না করে ব্যর্থতা কে ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে বলুন।

৬) জীবনে প্রতিটি দিন ভালো না যেতে পারে । ভূল সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে সেটাকে কাজে লাগানোর জন্য সন্তানকে উৎসাহিত করুন। 
আপনার সন্তানকে প্রতিদিনই জানিয়ে দিন তাকে আপনি কত ভালোবাসেন।

৭) পরিবার হলো সবচাইতে নিরাপদ যায়গা এবং পরিবার আপনার সন্তানকে কতটা ভালোবাসে সেকথা তাকে জানিয়ে দিন। এতে সে নিজেকে নিরাপদ ভাববে এবং পরিবারের প্রতিও সে ভালোবাসা দেখাবে।
 

জেনে নিই দিনাজপুরের ১৩ থানার ইউনিয়ন গুলোর নাম:

#আসুন পরিচিত হই নিজ নিজ ইউনিয়নের নাম কমেন্ট করি।
১. সদর>>>
১নং চেহেলগাজী
২নং সুন্দরবন
৩নং ফাজিলপুর
৪নং শেখপুরা
৫নং শশরা
৬নং আউলিয়াপুর
৭নং উথরাইল
৮নং শংকরপুর
৯নং আস্করপুর
১০নং কমলপুর
২. বিরল 
০১নং আজিমপুর
২নং ফরক্কাবাদ
৩নং ধামইর
৪নং শহরগ্রাম 
৫নং বিরল
৬নং ভান্ডারা 
৭নং বিজোরা
৮নং ধর্মপুর
৯নং মঙ্গলপুর
১০নং রানীপুকুর
১১নং পলাশ বাড়ি
৩. বোচাগঞ্জ 
১ নং নাফানগর
২ নং ইশানিয়া
৩ নং মুশিদহাট
 ৪ নং আটগাঁও
৫ নং ছাতইল
৬ নং রণগাঁও
৪. কাহারোল
১নং ডাবর
২নং রসুলপুর
৩নং মুকুন্দপুর
৪নং তারগাঁও
৫নং সুন্দরপুর
৬নং রামচন্দ্রপুর
৫ বীরগঞ্জ 
১নং শিবরামপুর
২নং পলাশবাড়ী
৩নং শতগ্রাম
৪নং পাল্টাপুর
৫নং সুজালপুর
৬নং নিজপাড়া
৭নং মোহাম্মদপুর
৮নং ভোগনগর
৯নং সাতোর
১০নং মোহনপুর
১১নং মরিচা
৬ ঘোড়াঘাট 
০১ নং বুলাকিপুর
০২নং পালশা
০৩ নং সিংড়া
০৪ নং ঘোড়াঘাট
৭. হাকিমপুর 
১নংখট্টামাধবপাড়া
২নং বোয়ালদাড়
৩নং আলীহাট
৮. পার্বতীপুর 
০১নং বেলাইচন্ডি
০২নং   মন্মথপুর
০৩ নং  রামপুর
০৪ নং  পলাশবাড়ী
০৫ নং  চন্ডিপুর
০৬ নং মোমিনপুর
 ০৭ নং মোস্তফাপুর
০৮ নং হাবড়া 
০৯ নং  হামিদপুর
১০ নং হরিরামপুর
৯. বিরামপুর 
১নং মুকুন্দপুর
২নং কাটলা
৩নং খানপুর
৪নং দিওড়
৫নং বিনাইল
৬নং জোতবানী 
৭নং পলিপ্রয়াগপুর
১০. খানসামা 
১নং আলোকঝাড়ী
২নং ভেড়ভেড়ী
৩নং আঙ্গার পাড়া
৪নং খামার পাড়া
৫নং ভাবকী
৬নং গোয়ালডিহি
১১. চিরিরবন্দর 
০১নং নশরতপুর
২নং সাতনালা
৩নং ফতেজং পুর
০৪নং ইবস পুর
০৫নং আব্দুল পুর
০৬নং অমর পুর
৭নং আউলিয়াপুকুর
০৮নং সাইতাড়া
০৯নং ভিয়াইল
১০নং পুনট্টি
১১নং তেতুলিয়া
১২নং আলোকডিহি
১২. ফুলবাড়ী 
1নং এলুয়াড়ী
২নং আলাদীপুর
৩নং কাজিহাল
৪নং বেতদীঘি
৫নং খয়েরবাড়ী
৬নং দৌলতপুর
৭নং শিবনগর
১৩. নবাবগঞ্জ 
১নং জয়পুর
২নং বিনোদনগর
৩ নং গোলাপগঞ্জ
৪নং শালখুরিয়া
৫নং পুটিমারা
৬নং ভাদুরিয়া
৭নং দাউদপুর।
৮নং মাহমুদপুর।
৯নং কুশদহ।

নিজের ভিতরটাকে সুন্দর করার কিছু চর্চা এমন হতে পারে --


১. সবসময় সবাইকে নিয়ে ভালো চিন্তা করা. উপযুক্ত প্রমান ছাড়া কাউকে খারাপ ভেবে না বসা. সাহাবীদের সময় একবার এক সাহাবী যখন দেখলেন আরেকজন সাহাবীর দাড়ি থেকে মদের ফোঁটা বেয়ে বেয়ে পড়ছে, সে তাকে প্রথমেই দোষ না দিয়ে ভাবলেন, হয়তো তার সাথে কারো ঝগড়া হয়েছে, এর ফলে রাগ করে কেউ তার দিকে মদের গ্লাস ছুড়ে মেরেছে। সেখান থেকেই ফোঁটা বেয়ে বেয়ে পড়ছে। 
.
.
২. নিয়তেই বরকত! প্রতিনিয়ত নিজের নিয়তকে চেক করা. আমি এই কাজটা কেন করছি? কাকে খুশি করার জন্যে করছি? কেউ যদি সত্যি কোনো কাজ আন্তরিক ভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে করে - তাহলে সেই কাজে খুব উঁচু মানের কোয়ালিটি থাকবে! একটা সিম্পল নিয়ত করলে যে কোনো কাজ বরকতপূর্ণ হয়ে যায়।
.
যেমন কেউ যদি ঘুমানোর আগে এই নিয়ত করে ঘুমায় যে, "হে আল্লাহ! আমি এই ঘুমের মাধ্যমে যে কর্মশক্তি আর তেজ পাবো, সেটা দিয়ে যেন ঘুম থেকে উঠে যেন আরো ভালোভাবে তোমার ইবাদাত করতে পারি।" তাহলে পুরা ঘুমটাই তার জন্যে ইবাদাত হবে এবং সে যতটা সময় ঘুমাযে তার জন্যে নেকী পেতে থাকবে! সুবহানাল্লাহ ঘুমানোর জন্যেও পুরস্কার!
.
.
৩. অপ্রয়োজনীয় কথা-আলাপে মশগুল না হওয়া। কেউ কথা বলার সময় তাকে কথার মাঝে cut-off না করা (বিঘ্ন না ঘটানো)! শেইখ বলেন, "কেউ কথা বলতে থাকলে কখনো তাকে মাঝখানে কাট করে দিয়ে নিজের কথা বলা শুরু করে দিও না. কারণ, যে কথা বলছে সে যদি জ্ঞানী হয়, তাকে শুনতে থাকো, তোমার জ্ঞান বাড়বে! 
.
আর যে কথা বলছে, সে যদি মূর্খ হয় তাকে শুনতে থাকো - তোমার ধৈর্য্য বাড়বে! নিশ্চয়ই তোমার ধৈর্য্য অর্জন করা জ্ঞান অর্জন করার থেকে বেশি জরুরি!"
.
.
৪. নিজের সমালোচনা শুনলে ক্ষুব্ধ না হওয়া! আসলেই চিন্তা করে দেখা - আমার মাঝে কি আসলেই এই ভুল আছে? ইমাম শাফি'ই (রা:) একবার ভরা সমাবেশে ক্লাস করাচ্ছিলেন। তখন এক লোক হুড়মুড় করে তার ক্লাসে ঢুকে গেলেন। 
.
তার দিকে আঙ্গুল তুলে বললেন, "তুমি কি ইমাম শাফি'ই?". ইমাম বললেন, "জ্বী, আমি শাফি'." তখন লোকটি সবার সামনে চেঁচিয়ে ইমামকে বললেন, "তুমি একটা ফাসিক, কাফির এবং জঘন্য প্রকৃতির লোক!" 
.
ইমাম চুপ করে শুনলেন। শুধু সমালোচনা না, তাকে সবার সামনে খুব খারাপ ভাবে অপমান করা হয়েছে! তিনি অফেন্ডেড তো হলেনই না, বরং এর উত্তরে তৎক্ষনাৎ দুই হাত তুলে সবার সামনে দুআ করলেন, 
.
"হে আল্লাহ! এই ব্যক্তি যদি সত্য বলে থাকেন, তাহলে তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমার উপর দয়া করো এবং আমার তাওবা কবুল করে নাও! আর যদি এই ব্যক্তি যা বললেন, সেটা যদি সত্য না হয়, তাহলে তার এ আচরণের জন্যে তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও, তার উপর দয়া করো এবং তার তাওবা কবুল করে নাও!"
.
.
৫. প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাবার আগে সবাইকে মাফ করে দিয়ে অন্তর পরিষ্কার করে ঘুমানো
.
.
৬. কোনো ব্যাপারে অন্তরে অহংকার ঢুকে যাচ্ছে কি না চেক করা. যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমান অহংকার থাকবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণ-ও পাবে না (সহীহ হাদিস)
.
.
৭. যদি কারো উপর হিংসা হতে থাকে, সেই ব্যক্তির নাম ধরে তার সাফল্যের জন্যে বেশি বেশি দুয়া করা. এটাকে অনেক স্কলার হিংসার সর্বোত্তম চিকিৎসা বলেছেন। একটা উদাহরণ দেই, ধরেন ক্লাসে আব্দুল্লাহ অনেক ভালো রেজাল্ট করলো, এতে উমরের হিংসা হচ্ছে। উমর কন্ট্রোল করতে পারছে না।
.
তার মনে এটা নিয়ে কষ্ট লেগেই আছে যে, তার বন্ধু তার থেকে এতো ভালো অবস্থানে আছে, অথচ সেও তো অনেক পরিশ্রম করে যাচ্ছে, তার কেন উন্নতি হচ্ছে না? উমর সেই দিন থেকে বেশি বেশি আব্দুল্লাহর জন্যে দুয়া করতে থাকলো, আল্লাহ যেন আব্দুল্লাহকে আরো বেশি সাফল্য দেন, রহমত এবং বরকত দেন! 
.
আলহামদুলিল্লাহ দুয়া করতে করতে কয় মাসের মধ্যেই উমরের অন্তর থেকে হিংসা দূর হয়ে গেলো। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা উমর এবং আব্দুল্লাহ দুইজনকেই সামাজিক এবং অর্থনৈতিকভাবে অনেক ভালো অবস্থানে যাবার তাওফিক দিলেন।
.
.
৮. নিজের ভুল/গুনাহ -র একটা লিস্ট বানানো। নিজের ভুল নিয়ে বেশি ব্যতিব্যস্ত থাকা, যেন অন্যের ভুল নিয়ে গল্প/গীবত করার কোনো সুযোগ না থাকে।
.
.
৯. এমন কোনো কথা কারো পিছনে কখনো না বলা, যেটা সে যদি সামনে থাকতো, তাহলে তার সামনে কখনোই বলা যেত না. এটাই গীবতের ক্লাসিক সংজ্ঞা! গীবত মৃত ভাইয়ের মাংস খাবার মতন জঘন্য গুনাহ (কুরআন: সুরাহ হুজুরাত)
.
.
১o. রাস্তার মধ্যখানে কখনো ময়লা না ফেলা! আমার স্বামীকে দেখতাম সে দেশে গেলে একটা ব্যাগ নিয়ে ঘুরতো। বলতো, দেশে তো সব জায়গায় ময়লা ফেলার ঝুড়ি খুঁজে পাওয়া যায় না. সারাদিনের ময়লা সে তার ঐ ব্যাগে রাখতো। ঘরে এসে ময়লার বিনে ফেলে দিতো।
.
.
১১. বড় - ছোট সবাইকে নিয়ে ভালো চিন্তা করা. যারা আমাদের থেকে বয়সে বড়, তারা আমাদের থেকে বেশি বছর ধরে বেঁচে আছেন, কাজেই তারা আমার থেকে বেশি নেক কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। আবার যারা আমাদের থেকে বয়সে ছোট, তারা আমাদের থেকে কম গুনাহ করার সুযোগ পেয়েছে। কাজেই বড় হোক, ছোট হোক - সবাই আমার থেকে ভালো। কারো সাথে তুলনা করে যেন আমার নিজের মধ্যে অহংকার না আসে।
.
আল্লাহ সুবহানুতায়ালা আমাদের ভিতর-বাহির সব সুন্দর রাখুক।আমাদেরকে উত্তম চরিত্রের হবার তাওফিক দিন। আমিন
( সংগৃহীত) 

Saturday, December 25, 2021

সংক্ষেপে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮

১ নভেম্বর ১৯থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন ‘সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮’। বহুল আলোচিত এই আইনটি প্রণয়নের এক বছরেরও বেশি সময় পর এটি বাস্তবায়ন শুরু হলো। পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের বাধার মুখে এতদিন আইনটি বাস্তবায়নে যায়নি সরকার।
২২ অক্টোবর আইনটি কার্যকরের তারিখ ঘোষণা করে গেজেট জারি করে সরকার। 
১. সড়কে গাড়ি চালিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে হত্যা করলে ৩০২ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
২. সড়কে প্রতিযোগিতা করে গাড়ি চালালে ও দুর্ঘটনা ঘটলে তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৩. আদালত অর্থদণ্ডের সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেয়ার নির্দেশ দিতে পারবে।
৪. মোটরযান দুর্ঘটনায় কোনো ব্যক্তি গুরুতর আহত বা প্রাণহানি হলে চালকের শাস্তি দেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের জেল ও সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা।
৫. ড্রাইভিং লাইসেন্স গাড়ি চালানোর দায়ে ছয় মাসের জেল বা ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেয়া হয়েছে।
৬. নিবন্ধন ছাড়া মোটরযান চালালে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।
৭. ভুয়া রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার এবং প্রদর্শন করলে ছয় মাস থেকে দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে।
৮. ফিটনেসবিহীন ঝুঁকিপূর্ণ মোটরযান চালালে ছয় মাসের কারাদণ্ড বা ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেয়া হয়েছে।
৯. ট্রাফিক সংকেত মেনে না চললে এক মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
১০. সঠিক স্থানে মোটর যান পার্কিং না করলে বা নির্ধারিত স্থানে যাত্রী বা পণ্য ওঠানামা না করলে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে
১১. গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বললে এক মাসের কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
১২. একজন চালক প্রতিবার আইন অমান্য করলে তার পয়েন্ট বিয়োগ হবে এবং একপর্যায়ে লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে
১৩. গণপরিবহনে নির্ধারিত ভাড়ার চাইতে অতিরিক্ত ভাড়া, দাবি বা আদায় করলে এক মাসের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
১৪. আইন অনুযায়ী ড্রাইভিং লাইসেন্সে পেতে হলে চালককে অষ্টম শ্রেণি পাস এবং চালকের সহকারীকে পঞ্চম শ্রেণি পাস হতে হবে হবে। আগে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন ছিল না।
১৫. গাড়ি চালানোর জন্য বয়স অন্তত ১৮ বছর হতে হবে। এই বিধান আগেও ছিল।
১৬. এ ছাড়া সংরক্ষিত আসনে অন্য কোনো যাত্রী বসলে এক মাসের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
চলবে....

Friday, December 24, 2021

Classroom Management

Class room management : 

1. Use meta language,  such ad gesture,  eye 

2. contact and miming etc....

3. Admit your ignorance 

4. Be explicit 

5. Use body language 

6. Use pair work/ group work to increase 

students talking time

7. Don’t be afraid of silence /noise

8. Keep your language minimum when students are working 

9. Vary your voice 

10. Use pauses to clarify what you say

11. Arrange the seating to help the learners

12. Stand up when you are directing activity

13. Look at the students / keep eye on the students / make eye contact 

14. Use your hands to encourage and direct the students 

শাকসবজীর গুণাগুণ। ডা মশিউর রহমান

করোনা কালীন সময়ে প্রতি শুক্রবার আমি শিশুখাদ্য,শিশু রোগ,শিশু স্বাস্থ্য ও শিশু যত্ন  নিয়ে লিখি এবং লিখবো ইনশাআল্লাহ 
আজকের বিষয়ঃপর্ব ৮=শাকসবজী 

সুস্থ ও সবলচিত্ত থাকতে শাকসবজি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। শাকসবজী বেশি করে খাওয়া সুস্বাস্থ্যের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এন্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থগুলো র  বিকল্প নাই।আর সব গুলো পাওয়া যাবে সবুজ শাকসবজী তে।

পালংশাকঃ প্রচুর পরিমানে আয়রন থাকায় রক্তস্বল্পতা কমায়।কোষ্ঠকাঠিন্য দুর করে। পালংশাকে প্রচুর ভিটামিন-এ বি সি ই থাকে। তাই চোখ ভাল রাখে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 

লালশাকঃভিটামিন এ সমৃদ্ধ হওয়ার চোখ ভাল রাখে।রক্তস্বল্পতা দুর করে। 

কচু শাকঃ আয়রন ও ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ হওয়ার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও রক্তস্বল্পতা কমায়। 

টোমেটোঃ প্রবাদ আছে প্রতিদিন একটি করে টমেটো খেলে রোগ বালাই কাছে আসতে পারে না। ভিটামিন-এ থাকায় দৃষ্টি শক্তি ঠিক রাখে।ভিটামিন-সি থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ক্যালসিয়াম দাঁতের জন্য উপরকারী। থায়ামিন হার্টকে ভালো রাখে। আয়রন ও ম্যাংগানিজ আছে। সালাদ,ভর্তা ভাজি ও তরকারি হিসেবে খাওয়ার যায়। 

গাজরঃ অত্যান্ত পুষ্টি গুন সমৃদ্ধ একটা খাদ্য।প্রচুর ক্যারোটিন ও ফসফরাস থাকায় মস্তিষ্ক ও হার্ট কে ভালো রাখে। হালুয়া পায়েস চপ ও বড়া হিসাবে খাওয়া যায়।

ফুল কপি ও বাধা কপিঃ মায়ের দুধ বাড়াতে সাহায্য করে। বিটা ক্যারোটিন থাকায় কোলেস্টেরল কমায় ফলে হার্টকে সুস্থ রাখে। এন্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে বিষাক্ত টক্সিন দুর করে। বাধা কপি শিশু র  রিকেট প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 
আয়োডিন থাকায় গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ এ সাহায্য করে। ফুল কপি মাছের তরকারি, পোকড়া হিসাবে রান্না করে খাওয়া যায়। সিংড়া ফুলরি খুবই সুস্বাদু। 

শিমঃশক্তিদায়ক একটা খাবার।শিমের বীচিতে প্রচুর ফাইবার ক্যালসিয়াম,ম্যাগনেসিয়াম থাকে। 

করোলাঃডায়াবেটিক রোগীদের মহা ঔষুধ। ক্ষিদা বাড়ায় ও কৃমি নাশক।ভিটামিন-এ সি থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় ও চোখ ভাল রাখে।

বেগুনঃ বাচ্চাদের ক্ষিদা বাড়ায়। আয়রন কার্বোহাইড্রেট ফ্যাট ও প্রোটিন আছে। 

পটলঃহার্টের শক্তি বাড়ায়। কোলেস্টেরল কমায় ব্লাড সুগার কমাতে সাহায্য করে। 

মুলাঃ ভিটামিন-এ বি সি  ক্যালসিয়াম ফাইবার ও প্রচুর পানি আছে। রুচি বর্ধক ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। 

লাউঃ ডালের সাথে রান্না করা যায়। পায়েস হালুয়া ও মোরাব্বা তৈরী করা যায়। এতে আছে ভিটামিন-সি বি আয়রন, চর্বি ও ফ্যাট। কোষ্টকাঠিন্য দুর করে।শরীর ও মস্তিষ্ক ঠান্ডা রাখে।

মিষ্টি কুমড়াঃ প্রচুর ভিটামিন-এ থাকায় রাত কানা দুর করে।স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশ সাহায্য করে। 

ঢেড়সঃ আয়োডিন থাকায় গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে। এছাড়াও ভিটামিন-এ ক্যালসিয়াম ও আয়রন আছে।

কাচা কলাঃ এটা রোগীর পথ্য হিসেবে খাওয়া হয়।ডায়রিয়ায় ও আমাশয় ভালো কাজ করে। 

আলুঃ এতে আছে ভিটামিন-এ সি,প্রোটিন কার্বোহাইড্রেট ও ক্যালসিয়াম।মাছ গোশত র তরকারী হিসাবে ব্যাবহার করা যায় এছাড়া ভর্তা, কাবাব ও চাটনি হিসাবেও সুস্বাদু। 

লাইক কমেন্ট করবেন, প্রশ্ন করবেন  ও শেয়ার করুন।
দোয়া করবেন। 
ধন্যবাদ। 
ডাঃ মোঃ মশিউর রহমান 
শিশু বিশেষজ্ঞ 
রোগমুক্তি ক্লিনিক গোলকুঠি দিনাজপুর 

পারিবারিক বাগান। গাছ-০১

দা মিরাকল অফ মরনিং / ফজরের সালাতের ১০টি ফজিলত

ফজরের সালাতের ১০টি ফজিলত।এগুলো জানার পর কারো আর ফজর সালাতে গাফেলতি, অলসতা আসবেনা... ইনশাআল্লাহ্
১.ফজরের সালাত মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্যকারী,কেননা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুনাফিকের জন্য ফজর সালাত আদায় কষ্টকর!__(বুখারী ৬৫৭,৬৪৪,২৪২০,৭২২৪...মুসলিম--৬৬১)
২.রাসূল (সাঃ) বলেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে ব্যক্তি ঐ দিন আল্লাহর জিম্মায় চলে যায়।অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ তালা ঐ ব্যক্তির দায়িত্ব নেন।__(সহিহ মুসলিম,তিরমিজি--২১৮৪)
৩.রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে,আল্লাহর ফেরেশতাগন আল্লাহর কাছে ঐ ব্যক্তিকে ভালো মানুষ হিসেবে সাক্ষী দিবে।__(বুখারী-মুসলিম)
৪. রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি ফজর সালাত জামাতের সাথে আদায় করে,আল্লাহতালা তার আমলে দাঁড়িয়ে সারারাত নফল নামাজ আদায়ের সওয়াব দিয়ে দেন!__(সহিহ মুসলিম-১০৯৬)
৫. রাসূল (সাঃ) বলেছেন, " যে ব্যক্তি ভোরে হেঁটে হেঁটে ফজরের সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে প্রবেশ করবে,আল্লাহতালা কিয়ামতের দিন তার জন্য পরিপূর্ণ আলো দান করবেন।__(আবু দাউদ --৪৯৪,,,,তিরমীযি)
৬.যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের সবচেয়ে বড় নিয়ামত দান করবেন।অথাৎ সে আল্লাহর দিদার লাভ করবে, এবং জান্নাতি ঐ ব্যক্তি আল্লাহকে পূর্নিমার রাতের আকাশের চাঁদের মত দেখবে।__(বুখারী-৫৭৩)
৭.যে নিয়মিত ফজরের সালাত আদায় করবে,সে কখোনোই জাহান্নামে প্রবেশ করবেনা।__(সহিহ মুসলিম ৬৩৪) 
৮.ফজরের সালাত আদায়কারী,রাসূল (সাঃ)-এর বরকতের দোয়া লাভ করবেন।__(সুনানে আবু দাউদ,মুসনাদে আহমাদ)
৯.ফজরের দু রাকাত সুন্নত সালাত, দুনিয়া ও তার মাঝে যা কিছু আছে তারচেয়ে উত্তম।__(জামে তিরমিজি - ৪১৬)
১০..ফজরের সালাত আদায়ের ফলে ব্যক্তির মন ফুরফুরে,প্রফুল্ল হয়ে যায়।__(সহিহ বুখারী, সহিহ মুসলিম)
সুবহানআল্লাহ......আল্লাহর আমাদের উপরোক্ত সব নিয়ামতের ভাগীদার করুন।

Sunday, October 10, 2021

Task Activities

1. Sequencing 
2. Picture description 
3. Story telling/ writing 
4. Auto biography 
5. Role play
6. Debating 
7. Matching 
8. Ranking
9. Writing about someone or something 
10. Listing
11. Poster Making
12. Brain Storming
13.  Decision making
14. Diary

Tuesday, September 28, 2021

হিন্দু আইনে দান কি?


দান হলো এমন এক ধরনের হস্তান্তর
পদ্ধতি যার মাধ্যমে স্বীয়
মালিকানা স্বত্বের অবসান ঘটায়
এবং অন্য ব্যক্তির
বরাবরে মালিকানা স্বত্ব সৃষ্টি করে।
দানসূত্রে সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য
কোনরকম পণের প্রয়োজন হয়
না এবং যার বরাবরে দান
সৃষ্টি করা হয়
সে দানের বিষয়বস্ত গ্রহণ করার
সাথে সাথেই দান কাজ সম্পন্ন হয়।
দান
হস্তান্তর
করে যে ব্যক্তি তাকে দাতা এবং দান
গ্রহণ করে যে ব্যক্তি তাকে দান
গ্রহীতা বলা হয়। স্থাবর বা অস্থাবর
উভয় প্রকার সম্পত্তি দান
করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ঐ
সম্পত্তিতে দাতার স্বত্ব লোপ পায়
এবং গ্রহীতার স্বত্ব অর্জিত হয়।
এভাবে স্বত্ব দখলের হস্তান্তরকে দান
বলা যেতে পারে।
দানের শ্রেণীবিভাগ: হিন্দু
সংহিতা ও নিবন্ধসমুহে চার ধরনের
দানের কথা ভলা হয়েছে।
এগুলো হচ্ছে ১) সঠিক দান ২) অনুচিত
দান ৩) বৈধ দান ও অবৈধ দান।
দাতা যদি তার নিজের
সম্পত্তি এবং এধরনের দান নিষিদ্ধ
না হলে কাকে সঠিক দান বলে।
দাতা যাদের ভরণ-পোষণ
করতে বাধ্য
তাদের ভরণ-পোষণের জন্য
প্রয়োজনীয়
সম্পত্তি রেখে অতিরিক্ত
সম্পত্তি সঠিকভাবে দান
করতে পারে।
পক্ষান্তরে দানের বিষয়বস্ত দাতার
নিজস্ব সম্পত্তি না হলে কিংবা দান
করা নিষিদ্ধ হওয়া স্বত্বেও
দাতা কোন সম্পত্তি দান
করলে তা অনুচিত দান বলে গন্য হবে।
কোন সুস্থ মস্তিষ্কের লোক
আইনগতভাবে দান করলে এবং দানের
বিষয়বস্ত পুর্ণগ্রহণযোগ্য
না হলে অর্থাত্ দান
অপ্রত্যাহারযোগ্য হলে বৈধ দান
হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যদিকে যে দান পুর্ণগ্রহণঅযোগ্য
তা অবৈধ দান। অবৈধ দান
আইনগতভাবে সম্পন্ন হয়
না এবং একে যে কোন সময়
প্রত্যাহার
করা যায়। উদাহরণ স্বরূপ, মাতাল
বা অপ্রকৃতিস্থ লোক কোন কিছু
দান
করলে তা অবৈধ হবে ৷
কোন কোন
সম্পত্তি দানসূত্রে হস্তান্তর করা যায়:
১) হিন্দু আইনের সব মতবাদ অনুসারে,
একজন হিন্দু ব্যক্তি যাদেরকে ভরণ-
পোষণ করতে আইনগতভাবে বাধ্য
তাদের দাবী-দাওয়া তার পৃথক
বা স্ব-
উপাজিত সম্পত্তি দানসূত্রে হস্তান্তর
করতে পারে।
২) দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে, কোন
সহ-
অংশীদার নিকটতম আত্নীয়-স্বজনের
আইনগত ভরণ-পোষণের
দাবী সাপেক্ষে তার সহ-
অংশীদারী স্বত্ব দান করতে পারে।
৩) দায়ভাগ
আইনে পিতা যাদেরকে ভরণ-পোষণ
করতে আইনগতভাবে বাধ্য তাদের
দাবী সাপেক্ষে তার পৈত্রিক
বা স্ব-
উপাজির্ত সম্পত্তি দান করতে পার ৷
৪) কিছু ক্ষেত্রে স্বামীর
সম্মতি নিয়ে একজন হিন্দু মহিলা তার
স্ত্রীধন উইল কিংবা দানের
মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারেন ৷
একজন
স্ত্রীধনের অধিকারিণী তার
স্ত্রীধন
অন্যদেরকে দান করে দিতে পারে,
তবে স্বামীর জীবদ্দশায় অর্জিত
কতিপয়
স্ত্রীধন দান করতে গেলে স্বামীর
অনুমতির প্রয়োজন হবে।
৫) একজন বিধবা আইনগত
প্রয়োজনে বা ধর্মীয়
উদ্দেশ্যে স্বামীর কাছ
থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত
সম্পত্তির একটি ক্ষুদ্র অংশ দান
করতে পারে ৷
৬) কোন প্রথা দ্বারা নিষিদ্ধ
না হলে অবিভাজ্য সম্পত্তির মালিক
তা দান কিংবা উইলের
মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে ৷
৭) মৃত্যু পীড়াকালীন দান হিন্দু
আইনে স্বীকৃত। দান একবার
আইনতঃ সম্পন্ন হয়ে গেলে তা আর
প্রত্যাহার বা রদ করা যায় না।
তবে দান
গ্রহীতা যদি প্রতারনা মূলে অথবা অবৈধ
প্রতিপত্তি মূলে দানপত্র দলিল
হাসিল
করে থাকে তবে তা অবশ্য রদযোগ্য
হবে।
দাতা যদি দানপত্র দলিলে এরকম শর্ত
আরোপ করে থাকে যে দানকৃত
সম্পত্তি গ্রহীতা কোনদিন হস্তান্তর
অথবা বন্টন করতে পারবেনা,
তবে এসকল
শর্তের আইনত কোন মূল্য থাকব
না অর্থাত্ ‍শর্তহীন অবস্থায় দান বলবত্
থাকবে। কোন
পাওনাদেরকে ঠকাবার
উদ্দশ্যে দান করলে পাওনাদার
ইচ্ছা করলে আইনের সাহায্যে এই
ধরনের কৃত্রিম দান রদ করতে পারে।
কোন দাতা দানকৃত
সম্পত্তি হতে জীবিতকাল পযর্ন্ত কোন
উপস্বত্ব পাওয়ার শত রাখলে সেই শর্ত
সাপেক্ষে দান বৈধ হবে।
দানের নিয়ম ও প্রক্রিয়া
দান পণবিহীন
এবং স্বেচ্ছা প্রণোদিত হতে হবে।
কোন প্রকার
প্রতারণা বা জোরপূর্বক
দানের দলিল করে নেওয়া আইনানুগ
বাতিলযোগ্য। কোন স্থাবর
সম্পত্তি দান করতে হলে তা অবশ্যই
লিখিত হতে হবে এবং ১৮৮২সালের
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৩ ধারার
বিধান অনুযায়ী অবশ্যই রেজিষ্ট্রীকৃত
দলিল দ্বারা সম্পাদন করতে হবে।
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ এর
ধারা ১২৩: কোন স্থাবর
সম্পত্তি দানকল্পে অবশ্যই
রেজিষ্ট্রীকৃত
দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর
কার্যকরী করতে হবে এবং উক্ত
দলিলে দানকর্তা কর্তৃক বা তার পক্ষ
হতে স্বাক্ষর
করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে দুজন
সাক্ষী কর্তৃক তা সনাক্ত করাতে হবে।
কোন অস্থাবর সম্পত্তি দান
করতে হলে অনুরূপভাবে স্বাক্ষরিত
কোন রেজিষ্ট্রীকৃত দলিলের
মাধ্যমে বা উক্ত সম্পত্তি অর্পণ
করে হস্তান্তর কার্যকরী করতে হবে ৷
বিক্রীত জিনিস যেভাবে অর্পণ
করা হয়, অনুরূপভাবে উক্ত জিনিস অর্পন
করা যাবে।
দান গ্রহণ: দানের একটি অপরিহার্য শর্ত
হলো দান গ্রহণ। যার বরাবরে কোন
সম্পত্তি দান
করা হচ্ছে সে নিজে কিংবা তার
পক্ষে অন্য কাউকে তা গ্রহণ
করতে হবে।
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে, দাতা কর্তৃক
কোন সম্পত্তি প্রদত্ত হলেই দান সম্পূর্ণ
হয়ে যায়। অবশ্য দানগ্রহীতা দান
গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে দান
কার্যকর হয়না। ১৮৮২সালের
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের
১২২নং ধারা অনুযায়ী,
দানগ্রহীতাকে দাতার জীবদ্দশায়
এবং দান করতে সক্ষম অবস্থায় দান গ্রহন
করতে হবে। দান গ্রহণের আগেই
দানগ্রহীতা মৃত্যবরণ করলে উক্ত দান
বাতিল হয়ে য়ায়। হিন্দু আইনে দান
গ্রহণ
প্রকাশ্য কিংবা অনুমিত হলেই চলে।
তবে শর্তযুক্ত দানের ক্ষেত্রে হ্যাঁ-
বোধক সম্মতির মাধ্যমে দান গ্রহণ
করতে হয়। কারণ,
এক্ষেত্রে দানগ্রহীতা কর্তৃক
সংশ্লিষ্ট
শর্ত পূরণের উপর দানের ফলাফল
নির্ভরশীল।
দখল অর্পন: যদিও হিন্দু আইনের
অধীনে দান লিখিত হওয়ার কোন
আবশ্যকতা নেই কিন্ত দাতা কর্তৃক
দানের বিষয়বস্তর দখল
দানগ্রহীতাকে বুঝিয়ে না দিলে দান
বৈধ হয়না। দানের দলিল কেবল
রেজিষ্টার্ড বা নিবন্ধনকৃত হলেই
তা দখল অপর্ণের সমকক্ষ হয় না। কাজেই
দানের জন্য দাতার কাছ থেকে কেবল
সম্পত্তির স্বত্ব দানগ্রহীতার
বরাবরে অর্পিত হলেই যথেষ্ট হবেনা।
দানের বিষয়বস্ত যদি ইতিমধ্যে দান
গ্রহীতার দখলে থাকে,
তাহলে দাতা কর্তৃক দানের
ঘোষণা এবং গ্রহীতা কতৃক তা গৃহীত
হলেই দান সম্পন্ন হবে।
যে ক্ষেত্রে দানের বিষয়বস্তর দখল
প্রদান করা সম্ভব নয়,
সেক্ষত্রে গ্রহীতা যাতে গ্রহীতা
যাতে দখল পাওয়ার
অধিকারী হতে পারে সেজন্য দান
সম্পন্ন করার অভিপ্রায়ে দাতার
পক্ষে সম্ভবপর সব কাজ করাই দানের
বৈধতার জন্য যথেষ্ট হবে।
১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,
সম্পত্তি দান সম্পকির্ত মূল হিন্দু আইন মূল
হিন্দু আইনে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে।
এই আইনের ১২৩ নং ধারার বিধান
অনুসারে, দানকে রেজিষ্ট্রীকৃত
দলিলের মাধ্যমে সম্পন্ন
করতে হবে এবং দলিলে অবশ্যই
দাতা বা তার পক্ষে অন্য কোন
ব্যক্তির স্বাক্ষর ও কমপক্ষে দুজন
স্বাক্ষীর
স্বাক্ষর থাকতে হবে। তবে অস্থাবর
সম্পত্তির ক্ষেত্রে দাতা ও দুজন
স্বাক্ষীর স্বাক্ষরযুক্ত রেজিষ্ট্রীকৃত
দলিলের
মাধ্যমে কিংবা সম্পত্তি দখল
হস্তান্তরের মাধ্যমে দান সম্পন্ন
করা যায়। সুতরাং সম্পত্তির হস্তান্তর
আইনের ১২৩ নং ধারায় বণির্ত বিধান
অনুসারে, দান সম্পন্ন করার জন্য
সম্পত্তির
দখল অর্পণের আর প্রয়োজন নেই; আবার
অস্থাবর সম্পত্তি ব্যতীত অন্যান্য
সম্পত্তির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র দখল অপর্ণই
দানের বৈধতার জন্য যথেষ্ট নয়।
অজাত ব্যক্তির বরাবরে দান:
মূল হিন্দু আইন অনুসারে, দানের সময়
অস্তিত্ব ছিল না এমন কোন ব্যক্তির
বরাবরে দান করা যায় না ৷অর্থাত্
অজাত ব্যক্তি বা জন্ম হয়নি এমন
ব্যক্তির
বরাবরে কোন সম্পত্তি দান
করা যায়না। অজাত ব্যক্তির
বরাবরে কোন সম্পত্তি দান
করা হলে তা অবৈধ হবে। এই
নীতিটি সবার প্রথমে ঠাকুর বনাম
ঠাকুর মামলায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
তবে যে সব ক্ষেত্রে ১৯১৪ সালের
হিন্দু
হস্তান্তর ও উইল আইন, ১৯১৬সালের হিন্দু
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
এবং ১৯২১সালেরহিন্দু ও উইল
(মাদ্রাজা নগরী) আইন প্রযোজ্য নয়,
সেসব ক্ষেত্রে উক্ত
নীতিটি এখনো প্রযোজ্য হয়।
কিন্তু উপরোক্ত আইনগুলো প্রণয়নের
ফলে অজাত ব্যক্তির অনুকূলে দান
করার
ক্ষেত্রে আর কোন
বাধা থাকলো না।
দান করার সময় অস্তিত্ব নেই এমন
ব্যক্তির
বরাবরেও
বতর্মানে দানসূত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর
করা যায়। আইন তিনটিতে বলা হয় যে,
১৮৮২সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের
দ্বিতীয় অধ্যায়ে বণির্ত
সীমাবদ্ধতা ও
হস্তান্তরসমূহ সাপেক্ষে কোন দান
অবৈধ হবে না কেবল এই কারণে যে,
যার হিতার্থ দান সম্পন্ন
হয়েছে দানের
সময় সে জন্ম গ্রহণ করেনি। তবে এই
নিয়মটি সার্বজনীনভাবে প্রযোজ্য
নয়; তা কিছু দান বা হস্তান্তরের
মধ্যে সীমাবদ্ধ।
১৮৮২সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের
দ্বিতীয় অধ্যায়ে বণিত
সীমাবদ্ধতা ও
বিধান অনুসারে পূববর্তী হস্তান্তর
সাপেক্ষে অজাত ব্যক্তির
বরাবরে দান
করা হলে দানকে অবশ্যই দাতার
অবশিষ্ট
সমগ্র স্বত্ব সম্পেকে হতে হবে । ১৮৮২
সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ২০
ধারায় অজাত ব্যক্তির কায়েমী স্বত্র
সম্পর্কে বলা হয়েছে, উক্ত
ধারা অনুসারে-যখন কোন
সম্পত্তি হস্তান্তর করে এমন কোন
ব্যক্তির অনুকূলে স্বত্ব সৃষ্টি করা হয়,
যে ব্যক্তি তখনো জন্মগ্রহণ করেনি, তখন
হস্তান্তরের শর্তে বিপরীত সংকল্প
প্রতীয়মান না হলে, জন্ম গ্রহণের পর
উক্ত
ব্যক্তি কায়েমী স্বত্ব লাভ করবে,
যদি তার ভোগদখল জন্মগ্রহণের
অব্যবহিত পর হতেই শুরু না হতে পারে ৷
এই
ধারায় কোন অজাত ব্যক্তির স্বত্ব তার
জন্ম লাভের সাথে কায়েম হয়।
যে ক্ষেত্রে হস্তান্তরের মাধ্যমে,
এমন
কোন ব্যক্তির অনুকূলে স্বত্ব
সৃষ্টি করা হয় সে ব্যক্তি তখনো জন্ম
লাভ করেনি, সেক্ষত্রে হস্তান্তরের
শর্ত হতে বিপরীত কোন উদ্দেশ্য
প্রতীয়মান না হলে, উক্ত ব্যক্তি জন্ম
গ্রহণের পরই স্থায়ী স্বত্ব লাভ করবে।
কিন্ত হস্তান্তরের দলিলে যদি এ
ধরনের কোন শর্ত যুক্ত করা হয় যে,
অজাত
ব্যক্তি একটি বিশেষ বয়ঃসীমায়
উপনীত হওয়ার পর স্বত্বের অধিকার
লাভ
করবে, তাহলে উপরোক্ত সাধারণ
নিয়মটি প্রযোজ্য হবে না। অর্থাত্
হস্তান্তরের শর্ত হতে বিপরীত কোন
উদ্দেশ্য প্রতীয়মান হলে, নিয়মটির
ব্যতিক্রম ঘটবে।
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১৮৮২
শর্তাধীন শর ্তঃ ধারা ২১,
মোতাবেক
যখন কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করে এমন
ব্যক্তির অনুকুলে এই শর্তে স্বত্ব
সৃস্টি করা হয় যে, কোন নির্দিষ্ট
অনিশ্চিত ঘটনা ঘটলে বা কোন
নির্দিষ্ট অনিশ্চিত
ঘটনা না ঘটলে উক্ত
স্বত্ব উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তাবে, তখন
উক্ত
ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তিতে স্বত্ব লাভ
করে।
আগের
ক্ষেত্রে ঘটনাটি ঘটলে এবং পরবর্তী
ক্ষেত্রে ঘটনাটি ঘটা অসম্ভব
হয়ে পড়লে এরকম স্বত্ব কায়েমী স্বত্ব
বলে গন্য হবে।
ব্যতিক্রমঃ যখন কোন
সম্পত্তি হস্তান্তরের ফলে কোন
ব্যক্তি একটি নিদির্ষ্ট বয়ঃসীমার
পৌঁছানোর পর উক্ত
সম্পত্তিতে স্বত্ববান হয় এবং তার উক্ত
বয়সসীমায় পৌঁছানো না পর্যন্ত
সময়ের
জন্য উক্ত সম্পত্তিতে স্বত্ববান হয়
এবং তার উক্ত বয়সসীমায়
না পৌঁছানো পর্যন্ত সময়ের জন্য উক্ত
স্বত্ব হতে যে আয় হবে তার সম্পূর্ণ
বা প্রয়োজনীয় অংশ
দাতা তাকে তার সুবিধার জন্য
শর্তহীনভাবে প্রদান করেন, তখন উক্ত
স্বত্ব শর্তধীন স্বত্ব বলে গন্য হবে না।
জীবনস্বত্ব সংরক্ষণ অর্থাত্ মৃত্যুর আগ
পযন্ত
সংরক্ষণ
জীবনকালে সম্পত্তির আয়-উপার্জন
ভোগ করার অধিকার সংরক্ষিত
করে দাতা কোন সম্পত্তি দান
করলে উক্ত দান অবৈধ হবে না। এই
নীতিটি লালা সিং বনাম গুর
নারায়ণ মামলায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
মামলার বিবরণে প্রকাশ, ক তার
কন্যার
বরবরে রেজিষ্ট্রী দলিলের
মাধ্যমে সাতটি দানসূত্রে হস্তান্তর
করে এবং এর মধ্যে চারটি গ্রামের
দখল
ও বুঝিয়ে দেয়। অবশিষ্ট গ্রাম
তিনটি সম্পকে শর্ত এই যে, দাতা তার
জীবদ্দশায় এই গ্রামগুলির ভোগদখল
নিজের
হাতে রাখবে এবং এগুলিকে হস্তান্তর
করার ক্ষমতা তার নেই।
পুরো দানটি বৈধ বলে আদালত রায়
প্রদান করে।
দান প্রত্যাহার
গঙ্গা বখশ বনাম জগত্ বাহদুর মামলার
(১৮৯৬) রায়ে বলা হয় যে, দান একবার
সম্পন্ন হয়ে গেলে তা দাতার উপর
বাধ্যকর হয় এবং সে উক্ত দানকে আর
প্রত্যাহার করতে পারে না।
তবে প্রতারণা, অনুচিত প্রভাব
ইত্যাদি কারণে দান
প্রত্যাহারযোগ্য
হবে।

Monday, February 1, 2021

ইংরেজি সঠিক উচ্চারণ যা আমরা প্রায় সময় ভুল করি..


১ । ভুল  উচ্চারণ: Invitation -ইনভাইটেশন

সঠিক উচ্চারণ: ইনভিটেইশন

২ । ভুল উচ্চারণ: Nation -নেশন

সঠিক উচ্চারণ: নেইশন

৩ । ভুল উচ্চারণ: Enough -এনাফ

সঠিক উচ্চারণ: ইনাফ

৪ । ভুল উচ্চারণ: Lady -লেডি

সঠিক উচ্চারণ: লেইডি

৫ । ভুল উচ্চারণ: Recitation -রিসাইটেশন

সঠিক উচ্চারণ: রেসিটেইশন

৬ । ভুল উচ্চারণ: Enjoy-ইনজয়

সঠিক উচ্চারণ: এনজয়

৭ । ভুল উচ্চারণ: Preposition-প্রিপোজিশন

সঠিক উচ্চারণ: প্রেপোজিশন

৮ । ভুল উচ্চারণ: Station- স্টেশন

সঠিক উচ্চারণ: স্টেইশন

৯ । ভুল উচ্চারণ: Payment - পেমেন্ট

সঠিক উচ্চারণ: পেইমেন্ট

১০ । ভুল উচ্চারণ: Son--সন

সঠিক উচ্চারণ: সান

Monday, January 25, 2021

কারো সাথে সাক্ষাতে আমরা সাধারনত যে Sentence গুলো ব্যবহার করা যেতে পারে।

➡️ কি দারুণ চমক! 
-  What a pleasant surprise!

➡️ আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।
- Good to see you.

➡️ তোমার দিনটি সুন্দর হোক। 
- Have a nice day or have a wonderful day.

➡️ অনুগ্রহ করে বসুন। 
-  Please have a seat.

➡️ বন্ধু কেমন আছো?
-  How are you friend? 

➡️ কি খবর/অবস্থা বন্ধু? 
-  Whats up, Friend? 

➡️ কেমন চলছে? 
-  How’s it going?/ What's going on?

➡️ সব কেমন চলছে? 
-  How is everything?

➡️ আপনাকে দেখে আমি আনন্দিত। 
- I am delighted to see u.

➡️ ইদানিং তোমাকে দেখাই যায় না।
- You are hardly seen these days.

➡️ এই আনন্দঘন ক্ষণে তোমাকে অভিনন্দন। 
- Congratulations on this happy event.

➡️ আমার প্রচুর সময় আছে। 
- I have plenty of time.

➡️ এক কাপ চা খান, প্লিজ। 
-  Have a cup of tea, Please!

➡️ আর একটু নিন। 
-  Have a little more.

➡️ আমি বিশ্বাস করি সব ঠিকঠাক আছে। 
-  I trust that everything is well.

➡️ অনেক দিন হয়ে গিয়েছে। 
-  It has been a long time.

➡️ অনেক সময় চলে গিয়েছে। 
-  It’s been so long.

➡️ আপনাকে পেয়েই ভাল লাগছিল। 
- It has been nice to have you.

➡️ তোমাকে যেন কোথায় দেখেছিলাম। 
- It looks like I saw you somewhere.

➡️ তোমার সাথে দেখা হওয়াটা সব সময়ই আনন্দের। 
- It’s always a pleasure to see you.

➡️ আমি খুবই খুশি তোমাকে আবার দেখতে পেরে। 
-  I’m so happy to see you again.

➡️ অনেক দিন দেখা হয় না। 
-  Long time no see.

➡️ আপনার সাথে কথা বলে ভালো লাগল। 
- Nice talking to you.

➡️ আবার/পরে দেখা হবে।
- See you again/later.

পড়া শেষে Done লিখতে ভুলবেন না❤️

Thursday, January 21, 2021

মাদক সেবন এবং ব্যবসা সম্পর্কে ইসলামের বক্তব্য

আনাস ইবনু মালেক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মদের সাথে সম্পর্ক রাখে এমন দশ শ্রেণীর লোকের প্রতি রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অভিশাপ করেছেন।
১). যে মদ তৈরি করে।
২). যে মদ তৈরির নির্দেশ দেয়।
৩). যে মদ পান করে।
৪). যে মদ বহন করে।
৫). যার জন্য মদ বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়।
৬). যে মদ পান করায়।
৭). যে মদ বিক্রি করে।
৮). যে মদের লভ্যাংশ ভোগ করে।
৯). যে মদ ক্রয় করে এবং
১০). যার জন্য মদ ক্রয় করা হয়।[৬]
[৬]. তিরমিযী, হা/১২৯৫; ইবনু মাজাহ, হা/৩৩৮১; ছহীহ আত-তারগীব, হা/২৩৫৭; আল-মু‘জামুল আওসাত্ব, হা/১৩৫৫; গায়াতুল মারাম, হা/৬০; মিশকাত, হা/২৭৭৬, সনদ ছহীহ।

SMART stand for..

SMART ( স্মার্ট)  বলতে সমাজে প্রচলিত যে, চুল হবে বিভিন্ন রঙের- ঢঙের,  আর ইয়া লম্বা লম্বা! হাতে থাকবে মোটা মোটা ঘড়ি বা ব্রেসলেট!  পোশাক হবে টাইট ফিটিং! মোটরসাইকেল পালসার বা হাংক ছাড়া চলবেইনা!  আবার রাস্তায় গাড়ি চলবে সর্বদা ৮০ কিঃ মিঃ বেগে!! ইত্যাদি ইত্যাদি! "!!
আসলেই কি তাই! 

উত্তর ঃ আসলে স্মার্ট বলতে বোঝায় অন্য কিছু। জেনে নেই আসল অর্থঃ 

SMART অর্থঃ কোন লক্ষ্য বা পরিকল্পনা হবে---
সুনির্দিষ্ট (Specific), 
পরিমাপযোগ্য (Measurable),
অর্জনযোগ্য (Achievable),
প্রাসঙ্গিক (Relevant),
সময়াবদ্ধ (Time-bound) হতে হবে।